ইছাপুর বাজার-সহ উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন খুচরো বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, টমেটো ও অন্যান্য দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের খরচ পারিবারিক বাজেটে বাড়তি চাপ ফেলছে। কেন্দ্রের ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মূল্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার তথ্যেও বিভিন্ন নিত্যপণ্যের খুচরো দামে ওঠানামার চিত্র উঠে এসেছে।
বাজারের ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, পরিবহণ ব্যয়, মৌসুমি সরবরাহের পরিবর্তন এবং পাইকারি বাজারে দামের ওঠানামার প্রভাব খুচরো বাজারেও পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যবস্থার চাপের কারণে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাজারে সবজির দামও বেড়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্রেতাদের মতে, প্রতিদিনের বাজারের খরচ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় মাসিক ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের উপর এর প্রভাব বেশি পড়ছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, বাজারে চাহিদা থাকলেও পাইকারি দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মজুত পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়ানো এবং মূল্য পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করা গেলে বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে কেন্দ্রের ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরও, যারা প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন বাজারের নিত্যপণ্যের খুচরো ও পাইকারি মূল্য পর্যবেক্ষণ করছে।
